Back to Blog ব্লগে ফিরুন জৈব সার ও মাটি প্রস্তুতি

কোন জৈব সার কোন গাছে কতটুকু — সম্পূর্ণ ডোজ চার্ট

হালনাগাদ ৮ মিনিট পড়ুন
কোন জৈব সার কোন গাছে কতটুকু — সম্পূর্ণ ডোজ চার্ট — GrowDeshi

জৈব সার ঠিকভাবে কাজ করে তখনই, যখন সঠিক মাত্রায় দেওয়া হয়। বেশি দিলে মাটিতে লবণ জমে শিকড় পুড়ে যায়, আর কম দিলে গাছ খেতে পায় না, ফলও মেলে না। কিন্তু “প্রতি টবে ঠিক কতটুকু দেব” — নতুন চাষির এই সহজ প্রশ্নের উত্তর কোথাও একসাথে গুছিয়ে পাওয়া যায় না। এই পোস্টে জৈব সারের মাত্রা একটি টেবিলে টবের আকার অনুযায়ী সাজিয়ে দিলাম, সঙ্গে প্রতিটি সার আলাদা করে — কতটুকু, কত দিন পর পর, আর কীভাবে দেবেন। চা-চামচ দিয়ে মাপার সহজ হিসাবও থাকছে। পাতাটি প্রিন্ট করে বা সেভ করে বাগানের পাশে রেখে দিতে পারেন; প্রতিবার সার দেওয়ার আগে একবার চোখ বুলিয়ে নিলেই কাজ। মনে রাখবেন, এখানে দেওয়া সব হিসাব বাড়ির টব-বাগানের জন্য — বিঘা বা কাঠার মাঠের হিসাব নয়। শুরু করি সবচেয়ে দরকারি জিনিস দিয়ে — মাস্টার ডোজ চার্ট।

কোন জৈব সার কোন গাছে কতটুকু — সম্পূর্ণ ডোজ চার্ট

মাস্টার ডোজ চার্ট — টবের আকার অনুযায়ী

নিচের টেবিলটি প্রতিবার প্রয়োগের পরিমাণ দেখাচ্ছে — অর্থাৎ সঠিক জৈব সারের মাত্রা কোন টবে কতটুকু। বাঁ দিকে সারের নাম, ওপরে টবের আকার। আপনার টব যত বড়, পরিমাণও তত বেশি। প্রতিটি সারের নামে ক্লিক করলে সেই পণ্যের পাতায় চলে যাবেন।

জৈব সার৬–৮ ইঞ্চি টব১০–১২ ইঞ্চি টব১৪–১৬ ইঞ্চি / ড্রামকত দিন পর পর
ভার্মিকম্পোস্ট৫০–৭৫ গ্রাম১০০–১৫০ গ্রাম২০০–২৫০ গ্রাম৩০ দিন
গোবর সার১০০ গ্রাম২০০–৩০০ গ্রাম৩০০–৪০০ গ্রাম৩০ দিন
নিম খৈল১০–১৫ গ্রাম২০–৩০ গ্রাম৪০–৬০ গ্রামমৌসুমে ১ বার
হাড়ের গুঁড়া১০–১৫ গ্রাম২৫–৩০ গ্রাম৪০–৫০ গ্রামমৌসুমে ১–২ বার
শিং কুচি১০–১৫ গ্রাম২৫–৩০ গ্রাম৪০–৫০ গ্রাম২–৩ মাসে ১ বার
সরিষার খৈল (তরল)১০০ গ্রাম / ১ লিটার পানিতে ৪৮ ঘণ্টা ভিজিয়ে, ৫–১০ গুণ পাতলা করে গোড়ায়সাপ্তাহিক

প্রথম টেবিলটি সব সারের এক নজরে হিসাব; নিচে প্রতিটি সার আলাদা করে বুঝিয়ে দিচ্ছি। সব উপকরণ একসাথে কম দামে পেতে দেখুন আমাদের জৈব সার স্টার্টার কিট — নতুন বাগানের জন্য যা যা লাগে সব একসঙ্গে।

সার দেওয়ার সোনালি তিন নিয়ম

মাত্রা যত সঠিকই হোক, ভুল পদ্ধতিতে দিলে উপকারের বদলে ক্ষতি হয়। যেকোনো জৈব সার দেওয়ার আগে এই তিনটি নিয়ম মাথায় রাখুন।

  • গোড়ায় নয়, বলয় করে দিন: সার সরাসরি গাছের গোড়ায় না দিয়ে কাণ্ড থেকে ২–৩ ইঞ্চি দূরে গোল করে ছড়িয়ে দিন। কারণ গাছের সক্রিয় শিকড় গোড়ায় নয়, একটু দূরে ছড়ানো থাকে।
  • হালকা মিশিয়ে পানি দিন: সার ছড়ানোর পর মাটির ওপরের স্তরে হালকা করে মিশিয়ে দিন, তারপরই পানি দিন। পানি না দিলে দানাদার সার শিকড় পোড়াতে পারে।
  • ভিত্তি সার আর টপ-ড্রেসিং আলাদা: চারা লাগানোর সময় মাটির সঙ্গে যা মেশানো হয় সেটি ভিত্তি সার; পরে গাছ বড় হওয়ার সময় ওপরে ছড়িয়ে যা দেওয়া হয় সেটি টপ-ড্রেসিং। ধীরে-কাজ-করা সার (ভার্মিকম্পোস্ট, হাড়ের গুঁড়া) ভিত্তিতে ভালো, দ্রুত-কাজ-করা তরল সার টপ-ড্রেসিং হিসেবে।

টবের মাটি তৈরির মূল অনুপাত সহজ — ২ ভাগ মাটির সঙ্গে ১ ভাগ জৈব সার। এই ভিত্তি ঠিক থাকলে পরে সামান্য টপ-ড্রেসিংয়েই গাছ ভালো চলে। মাটি তৈরির বিস্তারিত জানতে দেখুন আমাদের টবের মাটি তৈরির গাইড। জৈব চাষে সঠিক জৈব সারের মাত্রা ও সার প্রয়োগের বৈজ্ঞানিক নিয়ম নিয়ে আরও নির্ভরযোগ্য তথ্য পাবেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI)কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS)-এর ওয়েবসাইটে।

প্রতিটি জৈব সারের বিস্তারিত মাত্রা

এবার এক এক করে দেখি — কোন সার কতটুকু, কত দিন পর পর, কীভাবে দেবেন, আর বেশি বা কম হলে গাছে কী লক্ষণ দেখা যায়।

ভার্মিকম্পোস্ট — মাটির প্রধান খাবার

কেঁচো সার বা ভার্মিকম্পোস্ট হলো টব-বাগানের ভিত্তি সার। এটি ধীরে ধীরে সব পুষ্টি ছাড়ে, তাই বেশি দিলেও গাছ পোড়ার ভয় কম।

  • কতটুকু: ১০–১২ ইঞ্চি টবে ১০০–১৫০ গ্রাম (৩০ সেমি টবের মান)।
  • কত দিন পর পর: প্রতি ৩০ দিনে একবার টপ-ড্রেসিং।
  • কীভাবে: মাটি তৈরির সময় মিশিয়ে দিন; পরে মাসে একবার মাটির ওপর ছড়িয়ে হালকা মিশিয়ে পানি দিন।
  • কম হলে: গাছ ধীরে বাড়ে, পাতা ফ্যাকাশে। বেশি হলে: সাধারণত ক্ষতি কম, তবে অকারণে অপচয়।

ঘরেই ভার্মিকম্পোস্ট বানাতে চাইলে দেখুন ঘরে ভার্মিকম্পোস্ট তৈরির পদ্ধতি

গোবর সার — সস্তা ও সহজলভ্য ভিত্তি

গোবর সার ভার্মিকম্পোস্টের মতোই মাটির ভিত্তি সার। সবচেয়ে জরুরি কথা — সব সময় ভালোভাবে পচানো গোবর ব্যবহার করুন, কাঁচা গোবর কখনো নয়; কাঁচা গোবর গাছ পোড়ায় ও পোকা ডাকে।

  • কতটুকু: ১০–১২ ইঞ্চি টবে ২০০–৩০০ গ্রাম
  • কত দিন পর পর: মাসে একবার।
  • কীভাবে: ভিত্তি সার হিসেবে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিন; টপ-ড্রেসিং হিসেবে ওপরে ছড়িয়ে দিন।
  • কম হলে: মাটি শক্ত, ঝুরঝুরে হয় না। বেশি হলে: টবে পানি জমে, গন্ধ ও ছত্রাক আসে।

নিম খৈল — সার ও পোকা দমন একসাথে

নিম খৈল শুধু সার নয়, মাটির নিচের পোকা ও নেমাটোড দমনেও কাজ করে। মাত্রা কম লাগে, তাই মেপে দেওয়া জরুরি।

  • কতটুকু: ১০–১২ ইঞ্চি টবে ২০–৩০ গ্রাম
  • কত দিন পর পর: মৌসুমে সাধারণত ১ বার
  • কীভাবে: চারা লাগানোর আগে মাটিতে মিশিয়ে দিলে পোকা আগেই দমন হয়; পরে চাইলে মাটির ওপর হালকা মিশিয়ে দিন।
  • কম হলে: পোকা-দমন সুবিধা মেলে না। বেশি হলে: মাটি অতিরিক্ত ঝাঁঝালো হয়ে কোমল শিকড় বসতে পারে।

ব্যবহারের সব নিয়ম বিস্তারিত জানতে দেখুন নিম খৈলের ব্যবহার গাইড

হাড়ের গুঁড়া — ফুল ও ফলের সার

হাড়ের গুঁড়া ফসফরাস ও ক্যালসিয়ামে ভরপুর — শিকড় শক্ত করে, ফুল-ফল বাড়ায়। এটি খুব ধীরে কাজ করে, তাই আগে থেকে দিতে হয়।

  • কতটুকু: ১০–১২ ইঞ্চি টবে ২৫–৩০ গ্রাম
  • কত দিন পর পর: মৌসুমে ১–২ বার
  • কীভাবে: ফুল আসার ২–৩ সপ্তাহ আগে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিন — তখন ফসফরাস কাজে লাগে।
  • কম হলে: ফুল কম, ফল ছোট। বেশি হলে: ক্ষতি কম, তবে দ্রুত ফল মেলে না বলে অপচয়।

বিস্তারিত জানতে দেখুন হাড়ের গুঁড়ার ব্যবহার গাইড

শিং কুচি — দীর্ঘস্থায়ী নাইট্রোজেন

শিং কুচি ধীরে ধীরে নাইট্রোজেন ছাড়ে, তাই লাউ-করলার মতো দীর্ঘ মৌসুমের লতানো গাছের জন্য আদর্শ — একবার দিলে অনেকদিন চলে।

  • কতটুকু: ১০–১২ ইঞ্চি টবে ২৫–৩০ গ্রাম
  • কত দিন পর পর: ২–৩ মাসে একবার।
  • কীভাবে: মাটির সঙ্গে মিশিয়ে ভিত্তি সার হিসেবে দিন; দানা মাটির নিচে থাকলে ধীরে গলে।
  • কম হলে: মৌসুমের শেষ দিকে গাছ নেতিয়ে পড়ে। বেশি হলে: পাতা বেশি, ফুল-ফল কম।

বিস্তারিত জানতে দেখুন শিং কুচির ব্যবহার গাইড

সরিষার খৈল (তরল) — দ্রুত সাড়া দেওয়া টনিক

সরিষার খৈল তরল করে দিলে গাছ কয়েক দিনেই সাড়া দেয় — শাক ও ফুল আসার সময় দারুণ কাজে দেয়। তবে কখনো কাঁচা খৈল সরাসরি দেবেন না

  • কীভাবে বানাবেন: ১০০ গ্রাম খৈল ১ লিটার পানিতে ৪৮ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন; পচে গেলে সেই পানি ৫–১০ গুণ সাধারণ পানিতে পাতলা করুন।
  • কতটুকু ও কত দিন পর পর: প্রতি গাছের গোড়ায় আধা-এক কাপ, সপ্তাহে একবার
  • কম হলে: সাড়া ধীর। বেশি বা ঘন দিলে: পাতা হলুদ হয়ে ঝরে, শিকড় পোড়ে।

তরল সার তৈরি ও প্রয়োগের সব ধাপ দেখুন সরিষার খৈলের ব্যবহার গাইড-এ।

কোন গাছে কোন সারে জোর

সব গাছের চাহিদা এক নয় — শাকের দরকার নাইট্রোজেন, ফলের গাছের দরকার ফসফরাস। নিচের টেবিল দেখে সহজে বেছে নিন।

গাছবেশি দরকারসেরা সার-সমন্বয়
শাক (লাল, পালং, পুঁই)নাইট্রোজেনসরিষার খৈল (তরল) + ভার্মিকম্পোস্ট
টমেটো, বেগুন, মরিচফসফরাস + সুরক্ষাহাড়ের গুঁড়া + নিম খৈল
লাউ, করলা, শসাদীর্ঘস্থায়ী নাইট্রোজেনশিং কুচি + গোবর সার
নতুন চারা / সব টবভিত্তি পুষ্টিভার্মিকম্পোস্ট + গোবর সার

টব-আকার অনুযায়ী পরিমাপ — চামচে হিসাব

বাড়িতে সবার ওজন মাপার যন্ত্র থাকে না। চা-চামচ আর টেবিল-চামচ দিয়েই মোটামুটি মেপে নেওয়া যায়। নিচের হিসাবটি মনে রাখলে আর দ্বিধা থাকবে না।

মাপদানাদার সার (আনুমানিক)
১ চা-চামচ≈ ৫ গ্রাম
১ টেবিল-চামচ≈ ১৫ গ্রাম
১ মুঠো (প্রাপ্তবয়স্ক)≈ ৩০–৪০ গ্রাম

উদাহরণ — ১০–১২ ইঞ্চি টবে ১০০ গ্রাম ভার্মিকম্পোস্ট মানে প্রায় ৭ টেবিল-চামচ বা আড়াই মুঠো। ২৫ গ্রাম হাড়ের গুঁড়া মানে প্রায় দেড় টেবিল-চামচ। শুরুতে চামচে মেপে দিন, কয়েকবার পর চোখেই বুঝে যাবেন।

যে ভুলগুলো নতুনরা করে

জৈব সার “প্রাকৃতিক” বলে অনেকে ভাবেন যত বেশি তত ভালো — এটাই সবচেয়ে বড় ভুল। কিছু সাধারণ ভুল এড়িয়ে চললেই গাছ ভালো থাকে।

  • পাতা হলুদ দেখলেই সার ঢালা: হলুদ পাতার কারণ অতিরিক্ত পানি বা পোকাও হতে পারে। কারণ না বুঝে সার দিলে ক্ষতি বাড়ে।
  • কাঁচা গোবর বা কাঁচা খৈল দেওয়া: সবসময় পচানো সার দিন — কাঁচা সার শিকড় পোড়ায়।
  • সার দিয়ে পানি না দেওয়া: দানাদার সার দেওয়ার পর পানি না দিলে ঘনত্ব বেড়ে শিকড় পোড়ে।
  • একবারে অনেক দিয়ে দেওয়া: অল্প অল্প করে বারবার দেওয়াই নিরাপদ ও কার্যকর।

অতিরিক্ত সারে মাটিতে লবণ জমে, শিকড় পোড়ে ও গাছ হঠাৎ নেতিয়ে পড়ে — লক্ষণ দেখলে কয়েক দিন সার বন্ধ রেখে প্রচুর পানি দিয়ে মাটি ধুয়ে দিন। সন্দেহ হলে সবসময় কম দিয়ে শুরু করুন, প্রয়োজন বুঝে বাড়ান।

উপসংহার

সঠিক জৈব সারের মাত্রা মানে জটিল কোনো হিসাব নয় — টবের আকার বুঝে মেপে দেওয়া, ঠিক সময়ে দেওয়া, আর গোড়া থেকে একটু দূরে দিয়ে পানি দেওয়া। ভার্মিকম্পোস্ট আর গোবর সারে মাটির ভিত্তি গড়ুন, হাড়ের গুঁড়া দিয়ে ফুল-ফল আনুন, নিম খৈলে পোকা ঠেকান আর সরিষার খৈলের তরলে দ্রুত টনিক দিন। এই চার্টটি সেভ করে রাখুন — প্রতি মাসে একবার চোখ বুলিয়ে সার দিলেই বাগান তরতাজা থাকবে। প্রতিটি সার নিয়ে আরও গভীরে জানতে পড়ুন আমাদের সম্পূর্ণ জৈব সার গাইড, আর নতুন হলে শুরু করুন নতুনদের সবজি চাষ গাইড দিয়ে। আরও নিয়মিত টিপস পেতে ঘুরে আসুন GrowDeshi-তে — নিজের মাটি, নিজের খাবার।

সাধারণ প্রশ্ন

এক টবে কি একাধিক জৈব সার একসাথে দেওয়া যায়?

যায়, বরং এটাই ভালো। যেমন — মাটির ভিত্তিতে ভার্মিকম্পোস্ট, চারা লাগানোর সময় হাড়ের গুঁড়া ও নিম খৈল। শুধু খেয়াল রাখবেন মোট পরিমাণ যেন খুব বেশি না হয়; অল্প অল্প করে মিশিয়ে দিন।

জৈব সার বেশি দিলে কী হয়?

বেশি সারে মাটিতে লবণ জমে, শিকড় পুড়ে যায় ও গাছ দুর্বল হয়ে নেতিয়ে পড়ে। জৈব সার প্রাকৃতিক হলেও অতিরিক্ত মাত্রা ক্ষতিকর। কম দিয়ে শুরু করে গাছের অবস্থা বুঝে বাড়ানোই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।

শুকনো দানাদার সার নাকি তরল সার — কোনটা ভালো?

দুটোরই আলাদা কাজ। শুকনো সার (ভার্মিকম্পোস্ট, হাড়ের গুঁড়া, শিং কুচি) ধীরে কাজ করে ও দীর্ঘস্থায়ী; তরল সার (সরিষার খৈল) দ্রুত সাড়া দেয়। ভিত্তিতে শুকনো আর টপ-ড্রেসিংয়ে তরল — দুটো মিলিয়ে ব্যবহারই সেরা।

ওজন মাপার যন্ত্র নেই, কীভাবে মাত্রা মাপব?

চা-চামচ ও টেবিল-চামচ দিয়েই চলবে। দানাদার সারে ১ চা-চামচ ≈ ৫ গ্রাম, ১ টেবিল-চামচ ≈ ১৫ গ্রাম, এক মুঠো ≈ ৩০–৪০ গ্রাম। প্রথম কয়েকবার চামচে মেপে দিন, পরে চোখেই আন্দাজ হয়ে যাবে।

কত দিন পর পর টবে জৈব সার দেওয়া উচিত?

ভিত্তি সার (ভার্মিকম্পোস্ট, গোবর সার) মাসে একবার টপ-ড্রেসিং করুন; তরল সরিষার খৈল সপ্তাহে একবার। নিম খৈল ও হাড়ের গুঁড়া মৌসুমে ১–২ বার যথেষ্ট। সঠিক জৈব সারের মাত্রা মেনে বেশি ঘন ঘন না দিয়ে নিয়ম করে দিলেই ফল ভালো হয়। মৌসুমভিত্তিক পরামর্শ পেতে দেখতে পারেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (DAE) তথ্য।