হাইব্রিড চিচিঙ্গার বীজ · F-1 (৮টি বীজ) — ৩৫–৪০ সেমি লম্বা ফল · ছাদ, বারান্দা ও বাড়ির বাগানের জন্য | Snake Gourd Hybrid Seeds
হাইব্রিড F-1 চিচিঙ্গার বীজ — রোগ প্রতিরোধী ও বেশি ফলনশীল প্রিমিয়াম জাত, সাজানো হয়েছে ছাদ ও বারান্দার বাগানের মাপে। এক প্যাকেটে ৮টি বীজ, উচ্চ অঙ্কুরোদগমের কারণে যা দিয়ে ৬–১০টি টব ভরে যায়। ১৫–১৮ ইঞ্চি টব ও মাচায় লম্বা সবুজ চিচিঙ্গা ফলান মাত্র ৫০–৫৫ দিনেই।
৳ ২,৫০০ এর উপরে ফ্রি ডেলিভারি
- বীজের সংখ্যা/পরিমাণ
- ৮টি বীজ
- বীজের ধরন
- F-1 হাইব্রিড
- বপনের মৌসুম
- খরিফ-১ · খরিফ-২
- অঙ্কুরোদগম তাপমাত্রা
- ২০–৩০°C
- অঙ্কুরোদগম সময়
- ৭–১০ দিন
- অঙ্কুরোদগম হার
- ৮৫%+
- প্রথম ফলন
- ৫০–৬০ দিন
- টবের মাপ
- ১৫x১৫ ইঞ্চি · ১৮x১৫ ইঞ্চি
- কঠিনতা
- মাঝারি
- ভেজানো প্রয়োজন
- ২৪ ঘণ্টা
- উপযুক্ত
- উঠান / জমি · ছাদ বাগান
পণ্যের বিবরণ · Product description
গরম আর বর্ষার দিনে টাটকা, লম্বা সবুজ চিচিঙ্গা — এবার ছাদ বা বারান্দার টবেই। GrowDeshi হাইব্রিড চিচিঙ্গার বীজ (F-1) হলো আমাদের বাছাই করা প্রিমিয়াম জাত: রোগ প্রতিরোধী, বেশি ফলনশীল এবং সমান আকারের ৩৫–৪০ সেন্টিমিটার লম্বা সবুজ ফল দেয়। প্যাকেট সাজানো হয়েছে ঘরের বাগানের মাপে — ৮টি বীজ, যা একটি বারান্দা বা ছাদের পুরো মৌসুমের জন্য যথেষ্ট।
কেন হাইব্রিড F-1 বীজ
সাধারণ দেশি বা খোলা-পরাগায়িত বীজের তুলনায় F-1 হাইব্রিড চিচিঙ্গার কয়েকটি বড় সুবিধা:
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: পাউডারি ও ডাউনি মিলডিউর মতো সাধারণ ছত্রাক রোগ এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে বাড়তি সহনশীলতা — আর্দ্র বর্ষার আবহাওয়ায় যা সবচেয়ে বড় ভরসা।
- বেশি ফলন: প্রতিটি গাছে বেশি সংখ্যক স্ত্রী ফুল ও ফল ধরে, তাই কম গাছেই বেশি চিচিঙ্গা।
- সমান ও আকর্ষণীয় ফল: সোজা, গাঢ় সবুজ, ৩৫–৪০ সেন্টিমিটার লম্বা সমান আকারের চিচিঙ্গা — খেতে ও দেখতে দুটোতেই ভালো।
- উচ্চ অঙ্কুরোদগম (৮৫%+): প্রায় প্রতিটি বীজ থেকেই চারা গজায়, তাই ৮টি বীজেই ৬–১০টি টব ভরে যায়।
F-1 হাইব্রিড থেকে পাওয়া চিচিঙ্গা থেকে বীজ রেখে দিলে পরের মৌসুমে একই গুণ পাওয়া যায় না। তাই প্রতি মৌসুমে নতুন প্যাকেট থেকে বীজ লাগানোই ভালো — এতে রোগ প্রতিরোধ ও ফলন দুটোই ঠিক থাকে।
কেন ঘরোয়া মাপের প্যাকেট
বাজারের বেশিরভাগ বীজ প্যাকেট তৈরি হয় জমির চাষির জন্য — ৫ থেকে ১০ গ্রাম, অর্থাৎ কয়েকশো বীজ। কিন্তু বাড়ির ছাদে বা বারান্দায় আপনার লাগে ৬–১০টি টব, প্রতি টবে ১টি সবল চারা। বাকি বীজ কৌটায় পড়ে থেকে অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা হারায়। উচ্চ অঙ্কুরোদগমের প্রিমিয়াম F-1 বীজ বলে আমরা ঠিক ততটুকুই দিই, যতটুকু আপনি এই মৌসুমে সত্যিই লাগাবেন — ৮টি বীজ।
বপনের সময়
| মৌসুম | বপন | মন্তব্য |
|---|---|---|
| গ্রীষ্ম (খরিফ-১) | ফেব্রুয়ারি–এপ্রিল | চিচিঙ্গার আদর্শ মৌসুম |
| বর্ষা (খরিফ-২) | জুন–আগস্ট | হাইব্রিডের রোগ সহনশীলতা এ সময়েই সবচেয়ে কাজে লাগে |
টবে চিচিঙ্গা চাষের ধাপে ধাপে নিয়ম পাবেন এই পণ্যের “চাষ পদ্ধতি” ট্যাবে। লতানো সবজি টবে চালানোর মূল কৌশলগুলো জানতে পড়ুন আমাদের টবে লতানো সবজি চাষের গাইড। বর্ষায় স্ত্রী ফুল কমে গেলে হাত পরাগায়ন করলে ফলন কয়েক গুণ বাড়ে, আর ফ্রুট ফ্লাই দমনের জৈব উপায় জানলে কচি চিচিঙ্গা নষ্ট হওয়া ঠেকানো যায়।
নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI), কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (DAE) ও কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS)।
সাধারণ প্রশ্ন
এক প্যাকেটে কতটি বীজ থাকে?
৮টি বীজ। প্রিমিয়াম F-1 হাইব্রিড বলে অঙ্কুরোদগম হার বেশি (৮৫%+), তাই প্রতি টবে ১টি করে বীজ বসিয়েই ৬–১০টি টব ভরানো যায় — একটি বারান্দা বা ছাদের বাগানের এক মৌসুমের জন্য এতটুকুই যথেষ্ট।
এই হাইব্রিড চিচিঙ্গা কি রোগ প্রতিরোধী?
হ্যাঁ। F-1 হাইব্রিড জাতটি পাউডারি ও ডাউনি মিলডিউ এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে বাড়তি সহনশীল। তবে অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও টবে জমা পানি এড়ালে ফল আরও ভালো হয়।
বীজ কি ভিজিয়ে বপন করতে হবে?
হ্যাঁ। চিচিঙ্গার বীজের খোসা শক্ত, তাই বপনের আগে ২৪ ঘণ্টা পরিষ্কার পানিতে ভিজিয়ে নিন। এতে খোসা নরম হয়ে দ্রুত ও সমানভাবে চারা গজায়।
কোন আকারের টব লাগবে?
১৫–১৮ ইঞ্চি আকারের টব বা জিও ব্যাগ আদর্শ এবং সঙ্গে মাচা দিতেই হবে — চিচিঙ্গা লতানো গাছ, উপরে উঠলে ফল সোজা ও পরিষ্কার থাকে। প্রতি টবে ১টি চারা রাখুন।
কত দিনে চিচিঙ্গা পাওয়া যায়?
চারা লাগানোর পর সাধারণত ৫০–৫৫ দিনের মধ্যে ফল তোলার উপযোগী হয়। মাচা ও নিয়মিত পানি দিলে এক গাছ থেকেই মৌসুমজুড়ে চিচিঙ্গা পাওয়া যায়।
চাষ পদ্ধতি · How to grow
১ চাষের মৌসুম · Growing season
চিচিঙ্গা মূলত গ্রীষ্ম (খরিফ-১) ও বর্ষা (খরিফ-২) মৌসুমের ফসল। বপনের উপযুক্ত সময় ফেব্রুয়ারি–আগস্ট। অঙ্কুরোদগমের জন্য আদর্শ তাপমাত্রা ২০–৩০°C এবং মাটির pH ৬.০–৭.০ হলে চিচিঙ্গা সবচেয়ে ভালো হয়। হাইব্রিড F-1 জাত মিলডিউ ও ভাইরাস সহনশীল বলে আর্দ্র বর্ষাতেও ভালো ফলন দেয়।
২ কীভাবে চাষ করবেন · How to grow
- টব: ১৫–১৮ ইঞ্চি আকারের টব বা জিও ব্যাগ নিন — প্রতি টবে ১টি চারা — এবং সঙ্গে মাচা রাখুন।
- মাটি: তলায় ২ ইঞ্চি ইটের সুরকি, তারপর ৬০% দোআঁশ মাটি + ৩০% পচা গোবর/পাতা-পচা সার + ৫% কোকোপিট + ৫% কাঠের ছাই মিশিয়ে ভরাট করুন।
- বীজ ভেজানো: বপনের আগে বীজ ২৪ ঘণ্টা পরিষ্কার পানিতে ভিজিয়ে নিন — শক্ত খোসা নরম হয়ে দ্রুত চারা গজায়।
- বপন: ভেজানো বীজ ১–২ সেন্টিমিটার গভীরে বসিয়ে হালকা মাটি দিয়ে ঢেকে দিন।
- পানি: বপনের পর ঝাঁঝরি বা স্প্রে দিয়ে হালকা করে ভিজিয়ে দিন; মাটি যেন স্যাঁতসেঁতে থাকে, কাদা নয়।
- অঙ্কুরোদগম: ২০–৩০°C তাপমাত্রায় ৭–১০ দিনে চারা গজায়।
- মাচা: গাছ ৬–৮ ইঞ্চি হলেই দড়ি বা জাল দিয়ে মাচা করে দিন — লতা উপরে উঠলে ফল পরিষ্কার ও সোজা থাকে।
৩ সার প্রয়োগ · Fertilizing
ফুল আসা শুরু হলে প্রতি ১৫ দিন পরপর জৈব সার দিন। ২০০ গ্রাম সরিষার খৈল বা ৫০০ গ্রাম শুকনো গোবর ২ লিটার পানিতে ১০ দিন ভিজিয়ে সেই পানি গাছের গোড়ায় ঢালুন। ফুল-ফল ধরার সময় গোড়ায় এক মুঠো কাঠের ছাই দিলে ফলন বাড়ে।
৪ যত্ন · Care
- রোদ: দিনে অন্তত ৫–৬ ঘণ্টা সরাসরি রোদ।
- পানি: গরমে প্রতিদিন সকাল-বিকেল, বর্ষায় মাটি দেখে — কখনো টবে পানি জমতে দেবেন না।
- মাটি: নিষ্কাশন ভালো রাখুন; টবের তলার ছিদ্র খোলা রাখুন যাতে জমা পানিতে শিকড় না পচে।
- পোকা: ফ্রুট ফ্লাই ও জাব পোকা — ১ লিটার পানিতে ৫ মিলি নিম তেল + ২ মিলি ডিশ সোপ মিশিয়ে সপ্তাহে একবার স্প্রে করুন।
- রোগ: হাইব্রিড জাত হলেও অতিরিক্ত আর্দ্রতায় পাউডারি মিলডিউ হতে পারে — ১ ভাগ দুধ ৯ ভাগ পানিতে মিশিয়ে সকালে স্প্রে করলে প্রতিরোধ হয়।
৫ ফসল সংগ্রহ · Harvest
চারা লাগানোর ৫০–৫৫ দিনের মধ্যে চিচিঙ্গা তোলার উপযোগী হয়। ফুল আসার পর কয়েক দিনেই কচি ফল ধরে। ফল ৩৫–৪০ সেন্টিমিটার লম্বা, কচি ও গাঢ় সবুজ থাকতেই তুলুন — বেশি বড় হলে বীজ শক্ত হয় ও স্বাদ কমে। ২–৩ দিন পরপর নিয়মিত তুললে গাছ বেশি ফল দেয়।












পর্যালোচনা
এখনো কোনো রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউটি আপনিই লিখুন।