হাইব্রিড শসার বীজ · F-1 (১৫টি বীজ) — রোগ প্রতিরোধী, ৪০–৫০ দিনে ফলন · ছাদ, বারান্দা ও বাড়ির বাগানের জন্য | Cucumber Hybrid Seeds

হাইব্রিড F-1 শসার বীজ — রোগ প্রতিরোধী ও বেশি ফলনশীল প্রিমিয়াম জাত, সাজানো হয়েছে ছাদ ও বারান্দার বাগানের মাপে। এক প্যাকেটে ১৫টি বীজ, উচ্চ অঙ্কুরোদগমের কারণে যা দিয়ে ৮–১২টি টব ভরে যায়। ১৫–১৮ ইঞ্চি টবে ১টি চারা লাগিয়ে ৪০–৫০ দিনেই টাটকা শসা তুলুন। দাম ৳৫৫।

৳ ৫৫৳ ৬৯২০% সাশ্রয়

৳ ২,৫০০ এর উপরে ফ্রি ডেলিভারি

স্টকে আছে
হোয়াটসঅ্যাপে অর্ডার বা প্রশ্ন · WhatsApp us
বীজের তথ্য · Seed details
বীজের সংখ্যা/পরিমাণ
১৫টি বীজ
বীজের ধরন
F-1 হাইব্রিড
বপনের মৌসুম
খরিফ-১ · খরিফ-২
অঙ্কুরোদগম তাপমাত্রা
২০–৩০°C
অঙ্কুরোদগম সময়
৫–৭ দিন
অঙ্কুরোদগম হার
৮৫%+
প্রথম ফলন
৪০–৫০ দিন
টবের মাপ
১৫x১৫ ইঞ্চি · ১৮x১৫ ইঞ্চি
কঠিনতা
সহজ
ভেজানো প্রয়োজন
প্রয়োজন নেই
উপযুক্ত
ছাদ বাগান · বারান্দা
একসাথে কিনুন · Frequently bought together
৫% সেট ছাড় প্রয়োগ হয়েছে — ৳ ১১ কম
টি পণ্য ৳ ২০৪ ৳ ২১৫ ৳ ১১

২-৭ দিনে ডেলিভারি · Bangladesh-wide
ক্যাশ অন ডেলিভারি · Cash on delivery
১০০% নিরাপদ পেমেন্ট · Secure payment
বিনামূল্যে চাষ গাইড · Free growing guide

পণ্যের বিবরণ · Product description

গরমের দিনে টাটকা, রসালো শসা — আর এবার ছাদ বা বারান্দার টবেই। GrowDeshi হাইব্রিড শসার বীজ (F-1) হলো আমাদের বাছাই করা প্রিমিয়াম জাত: রোগ প্রতিরোধী, বেশি ফলনশীল এবং সমান আকারের সবুজ শসা দেয়। প্যাকেট সাজানো হয়েছে ঘরের বাগানের মাপে — ১৫টি বীজ, যা একটি বারান্দা বা ছাদের পুরো মৌসুমের জন্য যথেষ্ট। দাম ৳৫৫

কেন হাইব্রিড F-1 বীজ

সাধারণ দেশি বা খোলা-পরাগায়িত বীজের তুলনায় F-1 হাইব্রিড শসার কয়েকটি বড় সুবিধা:

  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: পাউডারি মিলডিউ ও ডাউনি মিলডিউর মতো সাধারণ ছত্রাক রোগ এবং মোজাইক ভাইরাসের বিরুদ্ধে বাড়তি সহনশীলতা — আর্দ্র বর্ষার আবহাওয়ায় যা সবচেয়ে বড় ভরসা।
  • বেশি ফলন: প্রতিটি গাছে বেশি সংখ্যক স্ত্রী ফুল ও ফল ধরে, তাই কম গাছেই বেশি শসা।
  • সমান ও আকর্ষণীয় ফল: সোজা, গাঢ় সবুজ, সমান আকারের শসা — খেতে ও দেখতে দুটোতেই ভালো।
  • উচ্চ অঙ্কুরোদগম (৮৫%+): প্রায় প্রতিটি বীজ থেকেই চারা গজায়, তাই ১৫টি বীজেই ৮–১২টি টব ভরে যায়।

F-1 হাইব্রিড থেকে পাওয়া শসা থেকে বীজ রেখে দিলে পরের মৌসুমে একই গুণ পাওয়া যায় না। তাই প্রতি মৌসুমে নতুন প্যাকেট থেকে বীজ লাগানোই ভালো — এতে রোগ প্রতিরোধ ও ফলন দুটোই ঠিক থাকে।

কেন ঘরোয়া মাপের প্যাকেট

বাজারের বেশিরভাগ বীজ প্যাকেট তৈরি হয় জমির চাষির জন্য — ৫ থেকে ১০ গ্রাম, অর্থাৎ দুইশো থেকে চারশো বীজ। কিন্তু বাড়ির ছাদে বা বারান্দায় আপনার লাগে ৮–১২টি টব, প্রতি টবে ১টি সবল চারা। বাকি বীজ কৌটায় পড়ে থেকে অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা হারায়। উচ্চ অঙ্কুরোদগমের প্রিমিয়াম F-1 বীজ বলে আমরা ঠিক ততটুকুই দিই, যতটুকু আপনি এই মৌসুমে সত্যিই লাগাবেন — ১৫টি বীজ

বপনের সময়

মৌসুম বপন মন্তব্য
গ্রীষ্ম (খরিফ-১) ফেব্রুয়ারি–এপ্রিল শসার আদর্শ মৌসুম
বর্ষা (খরিফ-২) জুলাই–সেপ্টেম্বর হাইব্রিডের রোগ সহনশীলতা এ সময়েই সবচেয়ে কাজে লাগে

টবে শসা চাষের ধাপে ধাপে নিয়ম পাবেন এই পণ্যের “চাষ পদ্ধতি” ট্যাবে। আরও বিস্তারিত জানতে পড়ুন আমাদের টবে শসা চাষের গাইড। বর্ষায় স্ত্রী ফুল কমে গেলে হাত পরাগায়ন করলে ফলন কয়েক গুণ বাড়ে, আর ফ্রুট ফ্লাই দমনের জৈব উপায় জানলে কচি শসা নষ্ট হওয়া ঠেকানো যায়।

নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI), কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (DAE)কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS)

সাধারণ প্রশ্ন

এক প্যাকেটে কতটি বীজ থাকে?

১৫টি বীজ। প্রিমিয়াম F-1 হাইব্রিড বলে অঙ্কুরোদগম হার বেশি (৮৫%+), তাই প্রতি টবে ১টি করে বীজ বসিয়েই ৮–১২টি টব ভরানো যায় — একটি বারান্দা বা ছাদের বাগানের এক মৌসুমের জন্য এতটুকুই যথেষ্ট।

এই হাইব্রিড শসা কি রোগ প্রতিরোধী?

হ্যাঁ। F-1 হাইব্রিড জাতটি পাউডারি ও ডাউনি মিলডিউ এবং মোজাইক ভাইরাসের বিরুদ্ধে বাড়তি সহনশীল। তবে অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও টবে জমা পানি এড়ালে ফল আরও ভালো হয়।

কোন আকারের টব লাগবে?

১৫–১৮ ইঞ্চি আকারের টব বা জিও ব্যাগ আদর্শ; এতে একটি চারা ভালোভাবে বাড়ে। ছোট টবে শিকড় জায়গা পায় না, ফলে ফলন কমে যায়।

কত দিনে শসা পাওয়া যায়?

চারা লাগানোর পর সাধারণত ৪০–৫০ দিনের মধ্যে ফল আসা শুরু হয়। মাচা ও নিয়মিত পানি দিলে এক গাছ থেকেই মৌসুমজুড়ে শসা পাওয়া যায়।

F-1 বীজ থেকে কি বীজ রেখে দেওয়া যায়?

না রাখাই ভালো। F-1 হাইব্রিডের পরের প্রজন্ম মূল গাছের গুণ ধরে রাখে না — ফলন ও রোগ প্রতিরোধ কমে যায়। ভালো ফলনের জন্য প্রতি মৌসুমে নতুন প্যাকেট থেকে বীজ লাগান।

চাষ পদ্ধতি · How to grow

চাষের মৌসুম · Growing season

শসা মূলত গ্রীষ্ম (খরিফ-১)বর্ষা (খরিফ-২) মৌসুমের ফসল। বপনের উপযুক্ত সময় ফেব্রুয়ারি–সেপ্টেম্বর। অঙ্কুরোদগমের জন্য আদর্শ তাপমাত্রা ২০–৩০°C এবং মাটির pH ৬.০–৭.০ হলে শসা সবচেয়ে ভালো হয়। হাইব্রিড F-1 জাত রোগ সহনশীল বলে আর্দ্র বর্ষাতেও ভালো ফলন দেয়।

কীভাবে চাষ করবেন · How to grow

  1. টব: ১৫–১৮ ইঞ্চি আকারের টব বা জিও ব্যাগ নিন — প্রতি টবে ১টি চারা।
  2. মাটি: তলায় ২ ইঞ্চি ইটের সুরকি, তারপর ৬০% দোআঁশ মাটি + ৩০% পচা গোবর/পাতা-পচা সার + ৫% কোকোপিট + ৫% কাঠের ছাই মিশিয়ে ভরাট করুন।
  3. বপন: এই প্রিমিয়াম বীজ ভেজানোর প্রয়োজন নেই — সরাসরি ১–২ সেন্টিমিটার গভীরে বীজ বসিয়ে হালকা মাটি দিয়ে ঢেকে দিন।
  4. পানি: বপনের পর ঝাঁঝরি বা স্প্রে দিয়ে হালকা করে ভিজিয়ে দিন; মাটি যেন স্যাঁতসেঁতে থাকে, কাদা নয়।
  5. অঙ্কুরোদগম: ২০–৩০°C তাপমাত্রায় ৫–৭ দিনে চারা গজায়।
  6. মাচা: গাছ ৬–৮ ইঞ্চি হলেই দড়ি বা জাল দিয়ে মাচা করে দিন — লতা উপরে উঠলে ফল পরিষ্কার ও সোজা থাকে।

সার প্রয়োগ · Fertilizing

ফুল আসা শুরু হলে প্রতি ১৫ দিন পরপর জৈব সার দিন। ২০০ গ্রাম সরিষার খৈল বা ৫০০ গ্রাম শুকনো গোবর ২ লিটার পানিতে ১০ দিন ভিজিয়ে সেই পানি গাছের গোড়ায় ঢালুন। ফুল-ফল ধরার সময় গোড়ায় এক মুঠো কাঠের ছাই দিলে ফলন বাড়ে।

যত্ন · Care

  • রোদ: দিনে অন্তত ৫–৬ ঘণ্টা সরাসরি রোদ।
  • পানি: গরমে প্রতিদিন সকাল-বিকেল, বর্ষায় মাটি দেখে — কখনো টবে পানি জমতে দেবেন না।
  • মাটি: নিষ্কাশন ভালো রাখুন; টবের তলার ছিদ্র খোলা রাখুন যাতে জমা পানিতে শিকড় না পচে।
  • পোকা: ফ্রুট ফ্লাই ও জাব পোকা — ১ লিটার পানিতে ৫ মিলি নিম তেল + ২ মিলি ডিশ সোপ মিশিয়ে সপ্তাহে একবার স্প্রে করুন।
  • রোগ: হাইব্রিড জাত হলেও অতিরিক্ত আর্দ্রতায় পাউডারি মিলডিউ হতে পারে — ১ ভাগ দুধ ৯ ভাগ পানিতে মিশিয়ে সকালে স্প্রে করলে প্রতিরোধ হয়।

ফসল সংগ্রহ · Harvest

চারা লাগানোর ৪০–৫০ দিনের মধ্যে শসা তোলার উপযোগী হয়। ফুল আসার পর ৭–১০ দিনেই কচি শসা ধরে। কচি ও গাঢ় সবুজ থাকতেই তুলুন — বেশি বড় বা হলদে হলে বীজ শক্ত হয় ও স্বাদ কমে। ২–৩ দিন পরপর নিয়মিত তুললে গাছ বেশি ফল দেয়।

রিভিউ · Reviews

পর্যালোচনা

এখনো কোনো রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউটি আপনিই লিখুন।

একটি রিভিউ লিখুন · Write a review

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। আবশ্যক ঘরগুলো * চিহ্নিত