হাইব্রিড বেগুনের বীজ · F-1 (২৫টি বীজ) — সারা বছর, বড় ফল · ছাদ, বারান্দা ও বাড়ির বাগানের জন্য | Brinjal Hybrid Seeds

হাইব্রিড F-1 বেগুনের বীজ — রোগ প্রতিরোধী ও উচ্চ ফলনশীল প্রিমিয়াম জাত, সাজানো হয়েছে ছাদ, বারান্দা ও বাড়ির বাগানের মাপে। এক প্যাকেটে ২৫টি বীজ, উচ্চ অঙ্কুরোদগমের কারণে যা দিয়ে ৮–১২টি টব ভরে যায়।

৳ ৩৯৳ ৪৯২০% সাশ্রয়

৳ ২,৫০০ এর উপরে ফ্রি ডেলিভারি

স্টকে আছে
হোয়াটসঅ্যাপে অর্ডার বা প্রশ্ন · WhatsApp us
বীজের তথ্য · Seed details
বীজের সংখ্যা/পরিমাণ
২৫টি বীজ
বীজের ধরন
F-1 হাইব্রিড
বপনের মৌসুম
খরিফ-১ · রবি
অঙ্কুরোদগম তাপমাত্রা
২৫–৩৫°C
অঙ্কুরোদগম সময়
৭–১০ দিন
অঙ্কুরোদগম হার
৮৫%+
প্রথম ফলন
৬০–৮০ দিন
টবের মাপ
১২x১২ ইঞ্চি · ১৫x১৫ ইঞ্চি
কঠিনতা
মাঝারি
ভেজানো প্রয়োজন
প্রয়োজন নেই
উপযুক্ত
ছাদ বাগান · বারান্দা
একসাথে কিনুন · Frequently bought together
৩% সেট ছাড় প্রয়োগ হয়েছে — ৳ ৬ কম
টি পণ্য ৳ ১৯৩ ৳ ১৯৯ ৳ ৬

২-৭ দিনে ডেলিভারি · Bangladesh-wide
ক্যাশ অন ডেলিভারি · Cash on delivery
১০০% নিরাপদ পেমেন্ট · Secure payment
বিনামূল্যে চাষ গাইড · Free growing guide

পণ্যের বিবরণ · Product description

ঘরের টবেই টাটকা, চকচকে বেগুন তোলার সবচেয়ে সহজ শুরু — একটি ভালো বীজ। GrowDeshi হাইব্রিড বেগুনের বীজ (F-1) হলো আমাদের বাছাই করা প্রিমিয়াম জাত: রোগ প্রতিরোধী, উচ্চ ফলনশীল এবং সমান আকারের সুন্দর বেগুন দেয়। প্রতিটি ফল হয় ১২০–১৫০ গ্রাম ওজনের। প্যাকেট সাজানো হয়েছে ঘরের বাগানের মাপে — ২৫টি বীজ, যা একটি ছাদ বা বারান্দার পুরো মৌসুমের জন্য যথেষ্ট। বেগুন একটি চারা তৈরি করে বসানোর ফসল, তাই বীজতলায় কয়েকটি চারা তুলে সবল চারাগুলো টবে বসানো যায়।

কেন হাইব্রিড F-1 বীজ

সাধারণ দেশি বা খোলা-পরাগায়িত বীজের তুলনায় F-1 হাইব্রিড বেগুনের কয়েকটি বড় সুবিধা:

  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: ঢলে পড়া রোগ ও ফল-ডগা পচার মতো সাধারণ সমস্যার বিরুদ্ধে বাড়তি সহনশীলতা — আর্দ্র আবহাওয়ায় যা সবচেয়ে বড় ভরসা।
  • উচ্চ ফলন: প্রতিটি ঝোপালো গাছে বেশি সংখ্যক ফল ধরে, তাই কম গাছেই বেশি বেগুন।
  • সমান ও আকর্ষণীয় ফল: চকচকে, সমান আকারের ১২০–১৫০ গ্রাম ওজনের বেগুন — বাজারের বেগুনের মতোই সুন্দর।
  • উচ্চ অঙ্কুরোদগম (৮৫%+): প্রায় প্রতিটি বীজ থেকেই চারা গজায়, তাই ২৫টি বীজেই ৮–১২টি টব ভরে যায়।

F-1 হাইব্রিড থেকে পাওয়া বেগুন থেকে বীজ রেখে দিলে পরের মৌসুমে একই গুণ পাওয়া যায় না। তাই প্রতি মৌসুমে নতুন প্যাকেট থেকে বীজ লাগানোই ভালো — এতে রোগ প্রতিরোধ ও ফলন দুটোই ঠিক থাকে।

কেন ঘরোয়া মাপের প্যাকেট

বাজারের বেশিরভাগ বীজ প্যাকেট তৈরি হয় জমির চাষির জন্য — ৫ থেকে ১০ গ্রাম, অর্থাৎ হাজারো বীজ। কিন্তু বাড়ির ছাদে বা বারান্দায় আপনার লাগে ৮–১২টি টব, প্রতি টবে ১টি সবল চারা। বাকি বীজ কৌটায় পড়ে থেকে অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা হারায়। বেগুন যেহেতু চারা তৈরি করে বসানোর ফসল, বীজতলায় কয়েকটি বাড়তি চারা তুলে সবচেয়ে সবল চারাগুলোই টবে বসানো যায় — সেই হিসাব ধরেই আমরা ২৫টি বীজ দিই, যতটুকু আপনি এই মৌসুমে সত্যিই লাগাবেন।

বপনের সময়

বেগুন বাংলাদেশে প্রায় সারা বছরই চাষ করা যায়। মূল দুই মৌসুম নিচের ছকে দেওয়া হলো:

মৌসুম চারা তৈরির বপন মন্তব্য
গ্রীষ্ম (খরিফ-১) ফেব্রুয়ারি–এপ্রিল গরমের বেগুন; হাইব্রিডের রোগ সহনশীলতা এ সময়ে কাজে লাগে
রবি (শীতকাল) সেপ্টেম্বর–নভেম্বর শীতের বেগুন; ফলন সবচেয়ে বেশি ও গুণগত মান ভালো

টবে বেগুন চাষের ধাপে ধাপে নিয়ম — চারা তৈরি থেকে ফল তোলা পর্যন্ত — পাবেন এই পণ্যের “চাষ পদ্ধতি” ট্যাবে। বর্ষায় গাছের বাড়তি যত্ন নিতে পড়ুন আমাদের বর্ষায় বেগুনের যত্নের গাইড। বেগুন গাছে সবচেয়ে বেশি জ্বালায় দুই পোকা — পাতা নষ্ট করা পাতা সুড়ঙ্গকারী পোকা দমনের জৈব উপায় এবং ফল ছিদ্রকারী ফ্রুট ফ্লাই দমনের জৈব উপায় জানা থাকলে ফসল অনেকটাই বাঁচানো যায়।

নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI), কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (DAE)কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS)

সাধারণ প্রশ্ন

এক প্যাকেটে কতটি বীজ থাকে?

২৫টি বীজ। প্রিমিয়াম F-1 হাইব্রিড বলে অঙ্কুরোদগম হার বেশি (৮৫%+)। বেগুন চারা তৈরি করে বসানোর ফসল বলে বীজতলায় কয়েকটি চারা তুলে সবল চারাগুলো টবে বসালে অনায়াসে ৮–১২টি টব ভরে যায় — একটি ছাদ বা বারান্দার এক মৌসুমের জন্য এতটুকুই যথেষ্ট।

বেগুনের বীজ কি ভিজিয়ে রাখতে হয়?

না, দরকার নেই। বেগুনের বীজ ছোট, তাই ভেজানোর প্রয়োজন নেই — সরাসরি বীজতলা বা ট্রেতে বপন করুন। ২৫–৩৫°C তাপমাত্রায় সাধারণত ৭–১০ দিনে চারা গজায়।

কোন আকারের টব লাগবে?

১২–১৪ ইঞ্চি আকারের টব বা জিও ব্যাগ আদর্শ; প্রতি টবে ১টি চারা। বেগুন ঝোপালো গাছ, তাই আলাদা মাচার দরকার হয় না — তবে ফলভরা ডাল যেন নুয়ে না পড়ে সেজন্য একটি খুঁটি বেঁধে দিলে ভালো।

চারা লাগানোর কত দিনে বেগুন পাওয়া যায়?

চারা টবে বসানোর পর সাধারণত ৬০–৭০ দিনের মধ্যে প্রথম বেগুন তোলার উপযোগী হয়। এরপর নিয়মিত পানি ও জৈব সার দিলে এক গাছ থেকেই মৌসুমজুড়ে বেগুন পাওয়া যায়।

F-1 বীজ থেকে কি বীজ রেখে দেওয়া যায়?

না রাখাই ভালো। F-1 হাইব্রিডের পরের প্রজন্ম মূল গাছের গুণ ধরে রাখে না — ফলন ও রোগ প্রতিরোধ কমে যায়। ভালো ফলনের জন্য প্রতি মৌসুমে নতুন প্যাকেট থেকে বীজ লাগান।

চাষ পদ্ধতি · How to grow

চাষের মৌসুম · Growing season

বেগুন প্রায় সারা বছরই চাষযোগ্য; মূল দুই মৌসুম গ্রীষ্ম (খরিফ-১)রবি (শীতকাল)। চারা তৈরির উপযুক্ত সময় গ্রীষ্মের জন্য ফেব্রুয়ারি–এপ্রিল ও শীতের জন্য সেপ্টেম্বর–নভেম্বর। অঙ্কুরোদগমের জন্য আদর্শ তাপমাত্রা ২৫–৩৫°C এবং গাছ বাড়ার জন্য ২২–৩০°C। মাটির pH ৫.৫–৭.০ হলে বেগুন সবচেয়ে ভালো হয়। হাইব্রিড F-1 জাত রোগ সহনশীল বলে আর্দ্র আবহাওয়াতেও ভালো ফলন দেয়।

কীভাবে চাষ করবেন · How to grow

  1. চারা তৈরি: বেগুন সরাসরি টবে না বুনে আগে বীজতলা বা চারা-ট্রেতে চারা তুলুন। ঝুরঝুরে মাটি ও পচা গোবর/কোকোপিট সমান মিশিয়ে ট্রে ভরুন।
  2. বপন: বীজ ছোট, ভেজানোর প্রয়োজন নেই — সরাসরি ০.৫–১ সেন্টিমিটার গভীরে বীজ বসিয়ে হালকা মাটি দিয়ে ঢেকে দিন। প্রতি কোষে ১–২টি বীজ।
  3. পানি: ঝাঁঝরি বা স্প্রে দিয়ে হালকা করে ভিজিয়ে দিন; মাটি যেন স্যাঁতসেঁতে থাকে, কাদা নয়।
  4. অঙ্কুরোদগম: ২৫–৩৫°C তাপমাত্রায় ৭–১০ দিনে চারা গজায়।
  5. চারা রোপণ: চারার ৪–৫টি পাতা হলে (সাধারণত ২৫–৩০ দিনের চারা) সবচেয়ে সবল চারাগুলো তুলে ১২–১৪ ইঞ্চি টবে বসান — প্রতি টবে ১টি চারা।
  6. মাটি: টবের তলায় ২ ইঞ্চি ইটের সুরকি, তারপর ৬০% দোআঁশ মাটি + ৩০% পচা গোবর/পাতা-পচা সার + ৫% কোকোপিট + ৫% কাঠের ছাই মিশিয়ে ভরাট করুন। বিকেলে চারা বসিয়ে গোড়ায় পানি দিন।

সার প্রয়োগ · Fertilizing

চারা টবে বসানোর ১৫ দিন পর থেকে প্রতি ১৫ দিন পরপর জৈব সার দিন। ১২–১৪ ইঞ্চি টবে প্রতিবার ২০০–৩০০ গ্রাম পচা গোবর সার অথবা ১০০–১৫০ গ্রাম ভার্মিকম্পোস্ট যথেষ্ট। ফুল ও ফল ধরার সময় গোড়ায় এক মুঠো কাঠের ছাই দিলে ফলন বাড়ে ও ফল শক্ত হয়।

যত্ন · Care

  • রোদ: দিনে অন্তত ৫–৬ ঘণ্টা সরাসরি রোদ।
  • পানি: গরমে প্রতিদিন সকাল-বিকেল, শীতে ২–৩ দিন পরপর — কখনো টবে পানি জমতে দেবেন না।
  • মাটি: নিষ্কাশন ভালো রাখুন; টবের তলার ছিদ্র খোলা রাখুন যাতে জমা পানিতে শিকড় না পচে।
  • পোকা: পাতা সুড়ঙ্গকারী পোকা, জাব পোকা ও ফল-ডগা ছিদ্রকারী পোকা — ১ লিটার পানিতে ৫ মিলি নিম তেল + ২ মিলি ডিশ সোপ মিশিয়ে সপ্তাহে একবার স্প্রে করুন। ছিদ্র হওয়া ফল ও ডগা দেখলেই কেটে ফেলে দিন।
  • রোগ: হাইব্রিড জাত হলেও অতিরিক্ত আর্দ্রতায় ঢলে পড়া রোগ হতে পারে — গোড়ায় পানি জমতে না দিলে ও গাছের মধ্যে বাতাস চলাচল রাখলে প্রতিরোধ হয়।

ফসল সংগ্রহ · Harvest

চারা টবে বসানোর ৬০–৭০ দিনের মধ্যে প্রথম বেগুন তোলার উপযোগী হয়। ফল চকচকে ও টান-টান থাকতেই তুলুন — গায়ের রং উজ্জ্বল ও চাপ দিলে নরম হওয়ার আগেই। প্রতিটি ফল ১২০–১৫০ গ্রাম হলেই আদর্শ; বেশি পাকলে রং ফ্যাকাশে হয়, বীজ শক্ত হয় ও স্বাদ কমে। ৩–৪ দিন পরপর নিয়মিত তুললে গাছ মৌসুমজুড়ে ফল দেয়।

রিভিউ · Reviews

পর্যালোচনা

এখনো কোনো রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউটি আপনিই লিখুন।

একটি রিভিউ লিখুন · Write a review

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। আবশ্যক ঘরগুলো * চিহ্নিত